
ওয়েবডেস্কঃ ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রুশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পূর্ব ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান ঘোষণার পর দক্ষিণ উপকূলে প্রবেশ করেছে রাশিয়ার স্থল বাহিনী। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
এমতাবস্থায়, রাশিয়া–ইউক্রেন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল প্রতি মূল্য সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার এক ব্যারেল তেলের দাম ছিল ৯৯.৩৮ ডলার। আর গতকাল, অর্থাৎ বুধবার প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ৯৯ ডলারে উঠেছে। এই দাম যেকোনো সময়ই ১০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে ফেলবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সৌদির পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়া। ইউরোপের অনেক দেশের গ্যাসের উৎসও রাশিয়া। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তেলের দামের ওপর ইউক্রেন-রাশিয়া সংকটের আরও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কারণ, রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর পুতিনের দেশের উপর ইউরোপের একাধিক দেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে। আর তাহলে গোটা ইউরোপজুড়ে তেলের তীব্র সংকট তৈরি হতে পারে।
শুধু তেল নয়, জ্বালানি গ্যাসের দামেও বিরাট প্রভাব ফেলবে এই যুদ্ধ। ইউরোপের অনেক দেশের গ্যাসের উৎসও রাশিয়া। রাশিয়া থেকেই ইউরোপের প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
